Loading...

  • 17 Oct, 2026
সর্বশেষ

সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাবে ১৯ কোটি টাকা অবরুদ্ধ

সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাবে ১৯ কোটি টাকা অবরুদ্ধ

পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) সাবেক প্রধান ও পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) মো. মনিরুল ইসলাম এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা ৮৩টি ব্যাংক হিসাবে ১৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকা অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত। ব্যাংক হিসাবগুলোতে থাকা অর্থের লেনদেন বন্ধ রাখতে এ আদেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালতের এই আদেশের ফলে মনিরুল ইসলাম ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবগুলোতে জমা অর্থের ওপর বিধিনিষেধ কার্যকর হবে। ফলে আদেশের আওতাভুক্ত অর্থ ইচ্ছামতো উত্তোলন বা স্থানান্তর করা যাবে না।

মো. মনিরুল ইসলাম বাংলাদেশ পুলিশের একজন সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। তিনি পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এসবি পুলিশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিশেষায়িত ইউনিট, যা বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা ও গোয়েন্দাসংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে। পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি পদেও দায়িত্ব পালন করেছেন মনিরুল ইসলাম।

কোনো ব্যক্তি বা তাঁর পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ সাধারণত সংশ্লিষ্ট অর্থের লেনদেন নিয়ন্ত্রণ এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের স্বার্থে দেওয়া হয়ে থাকে। এ ধরনের আদেশের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাবে থাকা অর্থ উত্তোলন বা স্থানান্তরের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। তবে ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশকে অর্থের মালিকের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার সমতুল্য হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। সংশ্লিষ্ট অভিযোগ ও অর্থের উৎস সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করে তদন্ত এবং আইনগত প্রক্রিয়ার ওপর।

এ ঘটনায় আদালতের আদেশ অনুযায়ী মোট ৮৩টি ব্যাংক হিসাবে থাকা ১৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকা অবরুদ্ধ করা হয়েছে। তবে সরবরাহ করা তথ্যে কোন আদালত এ আদেশ দিয়েছেন, কবে আদেশটি জারি হয়েছে, কোন সংস্থার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তা দেওয়া হয়েছে এবং ব্যাংক হিসাবগুলোর অর্থের উৎস নিয়ে কী অভিযোগ রয়েছে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ নেই।

একইভাবে, ৮৩টি ব্যাংক হিসাবের মধ্যে মনিরুল ইসলামের নিজের নামে কতটি এবং পরিবারের সদস্যদের নামে কতটি হিসাব রয়েছে, সে তথ্যও পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ছাড়া সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব বা অর্থের সঙ্গে কোনো নির্দিষ্ট অপরাধের যোগসূত্র রয়েছে বলে নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।

আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবগুলোর অর্থের লেনদেন নিয়ন্ত্রণে থাকবে। পরবর্তী তদন্ত ও আইনগত কার্যক্রমে অর্থের উৎস, হিসাবগুলোর মালিকানা এবং সংশ্লিষ্ট অভিযোগ সম্পর্কে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে। তবে এ বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য পাওয়া না পর্যন্ত আদালতের আদেশে উল্লেখিত ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা ও অবরুদ্ধ অর্থের পরিমাণই এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনের প্রধান তথ্য।