কংগ্রেস নেত্রী Supriya Suleর মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নেন সালমান খান। সেখানে অভিনেতাকে আগের তুলনায় কিছুটা ভিন্ন লুকে দেখা যায়। মাথার চুল কমে যাওয়া এবং শারীরিক গঠনে কিছু পরিবর্তন অনেকের নজরে আসে। এরপর থেকেই ভক্তদের মধ্যে তার স্বাস্থ্য নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।
ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, কিছু শারীরিক জটিলতার কারণে সালমান খানকে নিয়মিত স্টেরয়েড-ভিত্তিক চিকিৎসা নিতে হতে পারে। এসব প্রতিবেদনে বলা হয়, ওজন বৃদ্ধি এবং চুল পড়ে যাওয়ার মতো পরিবর্তনের পেছনে সেই চিকিৎসার প্রভাব থাকতে পারে। তবে এসব তথ্যের কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সালমান খান কিংবা তার পরিবারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। ফলে তার স্বাস্থ্য সংক্রান্ত দাবিগুলোকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে নয়, বরং গণমাধ্যমে প্রকাশিত গুঞ্জন হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
বিনোদন অঙ্গনের বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে আরও বলা হয়েছে, পরিবারের সদস্যরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। অতীতেও বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা নিয়েছিলেন বলে একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা চললেও পেশাগত জীবনে কোনো ধরনের বিরতি দেখা যাচ্ছে না। প্রায় ৬০ বছর বয়সেও সালমান নিয়মিত শরীরচর্চা করে যাচ্ছেন এবং অ্যাকশনধর্মী চরিত্রে অভিনয় করছেন। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে নিজের স্টান্ট দৃশ্য নিজেই সম্পন্ন করার চেষ্টা করেন তিনি।
এদিকে পরিচালক জুটি Raj Nidimoru ও Krishna D.K.র নতুন অ্যাকশন চলচ্চিত্রে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করার কথা রয়েছে সালমানের। জানা গেছে, ২০২৬ সালের অক্টোবরে সিনেমাটির শুটিং শুরু হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
এর আগে তার অভিনীত Sikandar সিনেমার শুটিং চলাকালে পেশির ব্যথার কারণে কয়েক মাস কাজ থেকে বিরতি নিতে হয়েছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তবুও তিনি দ্রুত কাজে ফিরে আসেন এবং নতুন প্রকল্প নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।
চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার বিষয়টি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি। তাই সালমান খানের স্বাস্থ্য নিয়ে যে আলোচনা চলছে, তা আপাতত গুঞ্জনের পর্যায়েই রয়েছে। ভক্তরা এখন অপেক্ষায় আছেন অভিনেতা নিজে বা তার পরিবার থেকে এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বক্তব্য আসে কি না।