গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা Rashed Khan দাবি করেছেন, জামায়াতে যোগদানের মাধ্যমে বর্তমান ডাকসুর ভিপি Sadik Kayem তার পদে থাকার নৈতিক ভিত্তি হারিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খাঁন এ মন্তব্য করেন।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই আন্দোলনের ৯ দফা দাবির আলোচনার সময় ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব উঠেছিল। পরে আলোচনার মাধ্যমে লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি দাবিতে যুক্ত করা হয়।
রাশেদ খাঁনের অভিযোগ, সে সময় যারা লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতির বিরোধিতা করেছিলেন, পরবর্তীতে তারাই দলীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। তিনি দাবি করেন, জাতীয় নির্বাচনের সময় ডাকসুর বর্তমান ভিপিসহ ছাত্র সংসদের বেশ কয়েকজন নেতা একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে কাজ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, সাদিক কায়েম ছাত্রসংগঠন থেকে সরে গিয়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছেন এবং দলটির মনোনয়নে দক্ষিণ সিটির মেয়র প্রার্থী হয়েছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি ছাত্র সংসদ নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
রাশেদ খাঁন তার পোস্টে দাবি করেন, এ ধরনের পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে করা অঙ্গীকারের পরিপন্থী। তাই সাদিক কায়েমের উচিত শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে ডাকসুর ভিপি পদ থেকে সরে দাঁড়ানো।
তবে এ বিষয়ে সাদিক কায়েম বা সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।