Loading...

  • 26 Jul, 2026

নির্বাচনের আগে গাজা ও পশ্চিম তীরে হামলা জোরদারের অভিযোগ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে

নির্বাচনের আগে গাজা ও পশ্চিম তীরে হামলা জোরদারের অভিযোগ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে

ইসরায়েলে পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে আগামী ২৭ অক্টোবর জাতীয় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর গাজা উপত্যকা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে সামরিক অভিযান আরও জোরদার করেছে ইসরায়েলি বাহিনী—এমন অভিযোগ উঠেছে। সাম্প্রতিক হামলায় বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি বাড়তে থাকায় আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ বাড়ছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ থেকে ২০ জুলাইয়ের মধ্যে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৫৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ছয়জন শিশু ও আটজন নারী রয়েছেন। সংস্থাটি বলছে, এসব হামলা আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের শঙ্কা তৈরি করছে এবং সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধ ও নৃশংসতার অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

এদিকে অধিকৃত পশ্চিম তীরের দেইর জারির গ্রামে ইসরায়েলি অভিযানে দুই ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের মরদেহ নিয়ে শোক মিছিল করেন। ঘটনাটি ওই অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পার্লামেন্ট বিলুপ্ত হওয়ার আগে ইসরায়েলের মন্ত্রিসভা বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আইন দ্রুত পাসের উদ্যোগ নেয়। একই সময়ে সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের পক্ষ থেকে জমি অধিগ্রহণ এবং ফিলিস্তিনিদের ঘরবাড়ি ভেঙে ফেলার নির্দেশ জারি করা হয়। পাশাপাশি পশ্চিম তীরে উগ্র ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলার ঘটনাও বেড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগের কয়েক মাসে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারে। গাজা ও পশ্চিম তীরে চলমান সামরিক অভিযান, বসতি সম্প্রসারণ এবং সহিংসতার কারণে বেসামরিক মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সংঘাত প্রশমনে সংযম প্রদর্শন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে আসছে। তবে এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

সূত্র: আল জাজিরা