সোমবার (২৯ জুন) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে চিফ প্রসিকিউটর এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “সত্যিই যদি সাহস থাকে, তাহলে দেশে এসে জুলাই হত্যাযজ্ঞের বিচার মোকাবিলা করুন।” তার মতে, বিদেশে অবস্থান করে দেশে ফেরার ঘোষণা দেওয়ার চেয়ে আইনি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, জুলাই-আগস্টের সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড-সংক্রান্ত মোট ১০টি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ইতোমধ্যে প্রসিকিউশনের হাতে পৌঁছেছে। বর্তমানে সেগুলো যাচাই-বাছাই ও আইনি পর্যালোচনার কাজ চলছে। এসব মামলায় সাবেক মন্ত্রী শাহজাহান খান, আমির হোসেন আমু, বিচারপতি মানিক, কামাল আহমেদ মজুমদারসহ বেশ কয়েকজন সাবেক সরকারি কর্মকর্তা ও উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তার নাম আসামি হিসেবে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এর আগে রোববার ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা চলতি বছরের মধ্যেই দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেন। ওই সাক্ষাৎকার প্রকাশের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ক্ষমতা ছাড়ার পর শেখ হাসিনা ভারত যান। এরপর থেকে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলাগুলোর অগ্রগতি এবং সম্ভাব্য বিচার কার্যক্রম নিয়ে রাজনৈতিক ও আইনি মহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।