Loading...

  • 24 Aug, 2026
সর্বশেষ

বাংলাদেশসহ ৫০ দেশের নাগরিকদের জন্য মার্কিন ভিসায় নতুন নিয়ম, লাগতে পারে ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড

বাংলাদেশসহ ৫০ দেশের নাগরিকদের জন্য মার্কিন ভিসায় নতুন নিয়ম, লাগতে পারে ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড

যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশসহ ৫০টি দেশের নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসা নীতিমালা চালু করতে যাচ্ছে মার্কিন সরকার। নতুন এই ব্যবস্থার আওতায় নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে বি-১ (ব্যবসায়িক) ও বি-২ (পর্যটন) ভিসা আবেদনকারীদের সর্বোচ্চ ২০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) প্রকাশিত মার্কিন সরকারের ফেডারেল রেজিস্টার-এর বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ভিসা বন্ড কর্মসূচিকে স্থায়ী রূপ দিচ্ছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সব আবেদনকারীর জন্য বন্ড বাধ্যতামূলক নয়। তবে কনস্যুলার কর্মকর্তা প্রয়োজন মনে করলে নির্দিষ্ট আবেদনকারীর ক্ষেত্রে ভিসা প্রদানের শর্ত হিসেবে বন্ড জমা দিতে বলতে পারবেন।

এই নিয়ম মূলত বি-১ (Business) এবং বি-২ (Tourist) অ-অভিবাসী ভিসা আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। আবেদনকারীর ঝুঁকি, পূর্ববর্তী ভ্রমণের ইতিহাস এবং অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বন্ডের প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করবেন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ২০২৫ সালে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা ভিসা বন্ড কর্মসূচির ইতিবাচক ফলাফল পাওয়ার পর এটিকে স্থায়ী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওই কর্মসূচির মাধ্যমে পররাষ্ট্র দপ্তর, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগ এবং অর্থ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এর কার্যকারিতা মূল্যায়ন করে।

পাইলট কর্মসূচিতে কনস্যুলার কর্মকর্তারা ৫ হাজার, ১০ হাজার অথবা ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড নির্ধারণ করতে পারতেন। তবে নতুন নিয়মে ৫ হাজার ডলারের বিকল্প বাতিল করা হয়েছে এবং সর্বোচ্চ বন্ডের পরিমাণ বাড়িয়ে ২০ হাজার ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নতুন বিধান ৩ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে।

প্রকাশিত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ৫০টি দেশের মধ্যে ৩০টিই আফ্রিকার দেশ। পাশাপাশি বাংলাদেশসহ আরও কয়েকটি দেশের নাগরিকও এই কর্মসূচির আওতায় থাকবেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই নীতির উদ্দেশ্য হলো ভিসার শর্ত লঙ্ঘন, নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান (ওভারস্টে) এবং অভিবাসনসংক্রান্ত ঝুঁকি কমানো। তবে কোন আবেদনকারীর ক্ষেত্রে বন্ড প্রযোজ্য হবে, তা সম্পূর্ণভাবে কনস্যুলার কর্মকর্তার মূল্যায়নের ওপর নির্ভর করবে।