বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) হারারের স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টস জিতে প্রথমে জিম্বাবুয়েকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। সুযোগ কাজে লাগিয়ে স্বাগতিকরা নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে তোলে ২৪৭ রান।
জিম্বাবুয়ের বড় সংগ্রহের মূল কারিগর ছিলেন ওপেনার বেন কুরান। ১৩৫ বল মোকাবিলা করে ৯টি চারের সাহায্যে ১১১ রানের দৃষ্টিনন্দন ইনিংস খেলেন তিনি। এছাড়া সিকান্দার রাজা ৩৩ রান করেন। ইনিংসের শেষদিকে ব্রাড এভান্স মাত্র ৩৮ বলে অপরাজিত ৫৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে বাংলাদেশের সামনে কঠিন লক্ষ্য দাঁড় করান। বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ দুটি করে উইকেট নেন।
২৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। মাত্র ৩৮ রানের মধ্যেই ফিরে যান দুই ওপেনার সৌম্য সরকার ও নাজমুল হোসেন শান্ত। এরপর তানজিদ হাসান তামিম ও তাওহিদ হৃদয়ের ৮৪ রানের জুটি কিছুটা আশা জাগালেও সেই জুটি ভাঙতেই আবারও এল ব্যাটিং ধস।
তামিম ৫৭ ও হৃদয় ৬০ রান করে বিদায় নেন। পরে নুরুল হাসান সোহান ৩৮ এবং অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ২৭ রান করে লড়াই চালিয়ে গেলেও অন্য ব্যাটারদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সমর্থন মেলেনি। ফলে ৪৮.১ ওভারে ২৩৪ রানে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ।
জিম্বাবুয়ের হয়ে রিচার্ড নাগাভারা ৩টি উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপে বড় ধাক্কা দেন। এই জয়ের ফলে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে স্বাগতিকরা। অন্যদিকে টেস্টের পর ওয়ানডেতেও হতাশাজনক পারফরম্যান্সে সমালোচনার মুখে পড়েছে বাংলাদেশ দল।